বিএসইসির সাবেক-বর্তমান কর্মকর্তাদের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানে দুদক

বিএসইসির সাবেক-বর্তমান কর্মকর্তাদের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানে দুদক

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম এবং তার ৮জন সহযোগী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের অভিযোগ অনুসন্ধান করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দুদকের একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি দুদকের মানিলন্ডারিং শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুদক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিএসইসির ৮ অভিযুক্ত কর্মকর্তারা হলেন-সাবেক কমিশনার শেখ শামসুদ্দীন আহমেদ, নির্বাহী পরিচালক মো. মাহবুবুল আলম, নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান, নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ রেজাউল করিম, পরিচালক শেখ মাহবুবুর রহমান, পরিচালক মো. মাহমুদুল হক, অতিরিক্ত পরিচালক এস কে মোহাম্মদ লুৎফুল কবির এবং যুগ্ম পরিচালক ও চেয়ারম্যানের একান্ত সহকারী মো. রাশিদুল আলম।
সূত্র জানায়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থেকে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে আইন ও বিধিমালা লংঘন করে স্ব স্ব নামে ও তাদের পরিবারের পরিজনের নামে বেনামে দেশে ও বিদেশে (সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে) উৎস বহির্ভূত এক হাজার কোটি টাকা সম পরিমাণ স্থাবর, অস্থাবর, অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। অতদন্ত করে ওসব অবৈধ সম্পদ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করাসহ অপরাধীদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার বলে মনে করে দুদক।
দুদকের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রাপ্ত পত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, শেয়ারবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম এবং তার সহযোগী কর্মকর্তা-সাবেক কমিশনার শেখ শামসুদ্দীন আহমেদ, নির্বাহী পরিচালক মো. মাহবুবুল আলম, নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান, নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ রেজাউল করিম, পরিচালক শেখ মাহবুবুর রহমান, পরিচালক মো. মাহমুদুল হক, অতিরিক্ত পরিচালক এস কে মোহাম্মদ লুৎফুল কবির এবং যুগ্ম পরিচালক ও চেয়ারম্যানের একান্ত সহকারী মো. রাশিদুল আলমের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থেকে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে আইন ও বিধিমালা লঙ্ঘন করে স্ব স্ব নামে ও তাদের পরিবারের পরিজনের নামে বেনামে দেশে ও বিদেশে উৎস বহির্ভূত এক হাজার কোটি টাকা সম পরিমাণ স্থাবর, অস্থাবর, অবৈধ সম্পদের অভিযোগটি দুদক কমিশন আমলে নিয়ে মানিলন্ডারিং শাখায় প্রেরণ করা হলো।
এমতাবস্থায় বিধি অনুযায়ী তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুদকের পরিচালক রফিকুজ্জামান রুমিকে তদারকি কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে।

( এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। )

Comments are closed.




© All rights reserved © 2024 websitenews24.com