আজিজুল ইসলাম কুড়িগ্রাম থেকে : কুড়িগ্রামে ভুরুঙ্গামারী থানার ওসি আল হেলাল মাহমুদের মাসিক আয় ২৫ লাখ টাকা ছাড়িয়ে গেছে বলে গুঞ্জন উঠেছে। আসামি ধরা-ছাড়া নিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন তিনি। তার কাছে জিম্মি হয়ে নিরীহ মানুষকেও বিপুল পরিমাণ টাকা দিয়ে ছাড়া পেতে হচ্ছে।
এছাড়া দাবি পূরণ না হলেই নিরীহ মানুষকে মামলা দিয়ে হয়রানি করারও অভিযোগ রয়েছে। এসব বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করায় উপজেলায় চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, ধর্ষণ, হত্যাসহ অপরাধ কর্মকান্ড বেড়ে গেছে। ওসি আল হেলাল মাহমুদের এমন অবৈধ কর্মকান্ডে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। এভাবে চলতে থাকলে ভুরুঙ্গামারী অপরাধের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।
নাম না প্রকাশ শর্তে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য জানায়, ওসি নিজে তদারকি করে রাতের ডিউটি বন্টনের করে দেন। বন্টনের পূর্বেই অফিসারদের বলে দেয়া হয় যে কোন মূল্যে লোকজন ধরতে হবে এবং ধরার পর উৎকোচ নিয়ে ছেড়ে দিতে হবে। রাতের টার্গেট দিয়ে দেয়া হয় অফিসারদের। যার ফলে দায়িত্বে থাকা অফিসাররা টার্গেট ফিলাপ করতে বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটান। এ কারণে অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভুরুঙ্গামারী উপজেলা ইসলামপুর গ্রামের গৃহবধূ পারভিন বেগম অভিযোগ করেন, তার স্বামী শাহিনুর মিয়াকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলায় গ্রেফতার করে আরো মামলায় না ফাঁসানোর জন্য ৩ লাখ টাকা দাবি করে পুলিশ। দাবি পূরণ না করায় ফারুককে অন্য আরেকটি মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়া হয়।