ময়মনসিংহে এসপির নির্দেশে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতার দ্রুত মুক্তি

ময়মনসিংহে এসপির নির্দেশে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতার দ্রুত মুক্তি

পপি আক্তার ,ময়মনসিংহ : ময়মনসিংহ মহানগর তাঁতী লীগের সাবেক সভাপতি এলিটকে গ্রেফতারের মাত্র দুই ঘণ্টা পরই মুক্তি দেওয়াকে কেন্দ্র করে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে । ১৬ নভেম্বর রাত ১০ টায় কোতোয়ালি মডেল থানা এসআই মোস্তাফিজুর রহমানসহ থানার টিম তাঁকে আটক করে থানা হাজতে রাখে। পরে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার আখতার উল আলমের নির্দেশে দ্রুত তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে একটি গোপন সূত্র জানিয়েছে। এবিষয়ে সত্যতা জানতে পুলিশ সুপারকে বারবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। বার্তা পাঠালেও কোন উত্তর পাওয়া যায়নি।

এলিট ময়মনসিংহের প্রভাবশালী ঠিকাদার মাহবুবের ছোট ভাই। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি পুলিশ লাইনস ও কারাগারের বিভিন্ন নির্মাণকাজের বড় ঠিকাদার ছিলেন। ৫ আগস্টের পর তিনি দেশ ছাড়েন বলেও জানা যায়। তার গ্রেফতার ও দ্রুত মুক্তিকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। গণমাধ্যমকর্মীরা জানান, প্রভাবশালী ঠিকাদার মাহবুবের প্রভাবেই এলিটকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, প্রায় ২০ লাখ টাকার বিনিময়েই গ্রেফতারের দুই ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে মুক্ত করা হয়। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানার তিন পুলিশ সদস্যকে বিভিন্ন স্থানে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে। থানার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করলে গ্রেফতার ও মুক্তির সময়সূচি এবং কার নির্দেশে এ ঘটনা ঘটেছে—তা স্পষ্ট হবে বলে জানান স্থানীয়রা। তবে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মো. শিবিরুল ইসলাম সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “এই নামে কাউকে ধরা হয়নি, ছেড়ে দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশকে নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। ঘটনাটি নিয়েই এখন ময়মনসিংহ জুড়ে চলছে তীব্র আলোচনা।

( এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। )

Comments are closed.




© All rights reserved © 2024 websitenews24.com