অনলাইন ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
বাংলাদেশ শিবিরে যেন কিছুটা হাল ছেড়ে দেওয়ার ভাব। সিরিজ আগেই ভারতের পকেটে চলে গেছে, আর বাংলাদেশের জন্য বাকি শুধু নিয়মরক্ষার শেষ ম্যাচ। তবে এই ম্যাচটি হবে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ক্যারিয়ারের শেষ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি, যা পুরো দৃশ্যপটকেই ভিন্নভাবে রাঙাবে।
শনিবার (১২ অক্টোবর) হায়দরাবাদের রাজিব গান্ধী আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। খেলা শুরু হবে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়। তবে ম্যাচের আগে সব আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে মাহমুদউল্লাহর বিদায়ী আয়োজন। যদিও সংবাদ সম্মেলনে আসা কোচ নিক পোথাস বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন। টিম ম্যানেজমেন্টও এ নিয়ে চুপ থেকেছে।
তবে মাহমুদউল্লাহর জন্য সবচেয়ে বড় উপহার হতে পারে সতীর্থদের কাছ থেকে একটি জয়। কিন্তু প্রথম দুই ম্যাচে হারার পর তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াতে পারবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। ফিল্ডিং কোচ নিক পোথাসের কাছেও এই ম্যাচ নিয়ে আশা করা হলে তিনি বড় কিছু প্রত্যাশা করছেন বলে ইঙ্গিত দেননি।
পোথাস বলেন, “টি-টোয়েন্টি সংস্করণ আসলে দলগুলোকে কাছাকাছি নিয়ে আসে। তবে আমাদের নিজস্ব মানদণ্ড রয়েছে ড্রেসিংরুমে। আমরা সেগুলো অর্জনের জন্য কাজ করছি। সময়ের সঙ্গে পারফরম্যান্স উন্নত হবে।”
এই ম্যাচটি মাহমুদউল্লাহর জন্য বিশেষ কিছু। বাংলাদেশ দলের হয়ে সবচেয়ে বেশি টি-টোয়েন্টি খেলা এই ক্রিকেটারকে আর দেখা যাবে না আন্তর্জাতিক এই সংস্করণে। মাহমুদউল্লাহর সতীর্থরা তার বিদায়ী ম্যাচকে স্মরণীয় করে তোলার চেষ্টা করবেন।
বাংলাদেশ একাদশে কিছু পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। শেখ মেহেদী হাসানকে একাদশে দেখা যেতে পারে, এবং পেস আক্রমণেও পরিবর্তন আসতে পারে। তবে চারজনের বেশি পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই। অন্যদিকে ভারত দল তাদের বেঞ্চ শক্তি পরীক্ষা করতে পারে এবং একাদশে রবি বিষ্ণুই এবং তিলক ভার্মাদের দেখা যেতে পারে।
হায়দরাবাদের পিচ রান উৎসবের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, তবে বৃষ্টি বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। ম্যাচের আগের দিন কয়েক দফা বৃষ্টি হয়েছে, যা ম্যাচের সময়ও ঘটতে পারে।
মাহমুদউল্লাহ কি তার শেষ ম্যাচটি স্মরণীয় করে রাখতে পারবেন নাকি ভারতের জয়রথ অব্যাহত থাকবে, তা বোঝা যাবে ম্যাচের পরই। তবে বৃষ্টির কথাও ভুলে গেলে চলবে না!