নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রতারণা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়েরের পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন পরিচয় ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছেন। কখনো প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার, কখনো নিজেকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান দাবি, আবার কখনো পুলিশ সদস্য, সাংবাদিক বা কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা পরিচয় দিয়ে মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অভিযুক্তদের একজন আবু হাসান ওরফে মাসুদ। তার গ্রামের বাড়ি জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায়। বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি নিজ এলাকায় যেতে পারেন না বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের শাসনামলে তিনি প্রভাবশালী ছিলেন এবং মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা।
অপর অভিযুক্ত শহিদুর রহমানের বাড়ি ঝালকাঠী জেলার নলছিটি উপজেলায় বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। ভুক্তভোগীদের দাবি, এই দুই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সদস্য হিসেবে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। তাদের কর্মকাণ্ডের কারণে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত হয়রানি ও আতঙ্কের মধ্যে পড়ছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। উল্লেখ্য, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।