২০০৬ সালে বিএনপি-জামাত জোট সরকারের শেষের দিকে ইনকিলাব সম্পাদক মাওলনা মান্নান পুত্র বাহাউদ্দিন হঠাৎ করেই জোট সরকার, বিশেষ করে জামাতের বিরুদ্ধে গোয়েবসীয় প্রচার শুরু করে। এর আগে জোট সরকারের সব দুধ-কলা খেয়েছিলো এই রাজাকারপুত্র বাহাউদ্দিন । কোন কারন ছাড়াই জামাত-শিবিরের বিরুদ্ধে সেই তথ্য সন্ত্রাসের পেছনে মূলত ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার প্রচুর বিনিয়োগ। তখন নয়া দিগন্ত মাত্র বাজারে আসছে, ইনকিলাব হারাচ্ছে তার বাজার।
–সেই থেকে খুনি হাসিনার পতনের আগ ( ৫ আগস্ট ২০২৪) পযর্ন্ত ইনকিলাব ছিলো ফ্যাসিষ্ট হাসিনার টয়েলেট পেপার ।হাসিনাকে কদমভুসি করে বাহাউদ্দিন বহু কলাম লিখেছেন বিগত ১৬ বছর।২০১৪ সালে কাদের সিদ্দিকীর ভাই লতীফ সিদ্দিকি ইসলাম নিয়ে করুচিপুর্ন মন্তব্য করলে ফেঁসে উঠে সারাদেশের ইসলামপ্রিয় জনতা।সে সময় হাসিনার পাচেটে ইনকিলাব সম্পাদক বাহাউদ্দিন কি লিখেছিলো তার কিছুটা পড়ুন এখানে,
গত সন্ধ্যায় ( ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪) মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে আমার টেলিআলাপন শিরোনামে বাহাউদ্দিন লিখেছে -এরিমধ্যে লন্ডনে কথা হলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে। লতিফ সিদ্দিকীকে মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্তের পরপরই হয় এই টেলিআলাপন। কুশল বিনিময়ের পর বলেন, ধর্মীয় ব্যাপারে আমি খুবই আন্তরিক।
নিজে নামাজ-বন্দেগি করি, ফজরের নামাজ পড়ে শুরু হয় আমার প্রতিদিনকার কাজ। নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত করি। ধর্মীয় বিষয়ে একজন মন্ত্রীর এই বক্তব্য মেনে নেয়া যায় না। ইসলাম ও মহানবী (সা.) সম্পর্কে এ ধরনের মন্তব্য যেই করুক, আমি তা বরদাশত করবো না। প্রধানমন্ত্রীর কথা নীরবে শুনে যাই, এরপর সময়োপযোগী এ সিদ্ধান্তের জন্য তাকে দেশের আলেম-ওলামা, ধর্মপ্রাণ নাগরিক তথা সর্বস্তরের তাওহিদী জনতার পক্ষ থেকে মোবারকবাদ জানাই। কথা ওঠে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মা পাড়ে জমি দেখছি। শিগগিরই কাজ শুরু করব। আমি বললাম, দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয় নির্মিত হয়ে ডিগ্রিপ্রাপ্ত ছাত্ররা আপনার হাত থেকেই প্রথম সার্টিফিকেট নিতে পারলে আমরা বেশি খুশি হই। দেশ ও জাতির নানা প্রসঙ্গ আর সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে আরো কিছু কথা বিনিময়ের পর টেলিফোন রেখে আমি আবার লেখায় মন দিই। ইনকিলাব ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৪ )– ৫ আগস্টের পর এই গিরগিটি
— ৫ আগস্টের পর এই গিরগিটি আবার বর্ন পরিবর্তন করা শুরু করেছে। দেশে গেঞ্জাম লাগার পট তৈরি করছে এই বাহাউদ্দিন।