এরই ধারাবাহিকতায় পুলিশ কর্মকর্তা কামরুজ্জামানের বাবা আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে ২ কোটি ৮২ লাখ ১২ হাজার ৩৫৪ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন এবং ৬ কোটি ১৮ লাখ ২৪ হাজার ৩৩৩ টাকার অবৈধ সম্পদের প্রমাণ পেয়ে কমিশনের অনুমোদনক্রমে আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে আজ বুধবার দিনাজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সহকারী পরিচালক নূরে আলম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহারে বলছে, দুদকের অনুসন্ধানকালে ২০২০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি আবুল কাশেম দুদককে ৭ কোটি ২১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৮০ টাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের হিসাব বিবরণী জমা দেন। কিন্তু যাচাইকালে তার নামে মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১০ কোটি ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৯৩৪ টাকা মূল্যের সম্পদ পাওয়া যায়। এসময় পুলিশ কর্মকর্তা কামরুজ্জামানের বাবা ২ কোটি ৮২ লাখ ১২ হাজার ৩৫৪ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন বলে অনুসন্ধানে প্রমাণ পায় দুদক। যা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এজাহার সূত্রে আরও জানা যায়, আবুল কাশেমের দেওয়া তথ্যানুসারে ৭৯ লাখ ৬ হাজার ৬৭৬ টাকা দায়-দেনা রয়েছে। অন্যদিকে পারিবারিক ব্যয় ও কর পরিশোধ করেছেন ১ কোটি ৩০ লাখ ৮৯ হাজার ৩০৮ টাকা। ঋণ ও ব্যয়ের হিসাব আমলে নিলে আবুল কাশেমের মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১০ কোটি ৫৫ লাখ ৬৮ হাজার ৫৬৬ টাকা। কিন্তু এর বিপরীতে তার আয়ের পরিমাণ ৪ কোটি ৩৭ লাখ ৪৪ হাজার ২৩৩ টাকা। অর্থাৎ পুলিশ কর্মকর্তা কামরুজ্জামানের বাবা আবুল কাশেম ৬ কোটি ১৮ লাখ ২৪ হাজার ৩৩৩ টাকার অবৈধ সম্পদ করেছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণ পাওয়া গেছে। যে কারণে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় মামলা করা হয়েছে।