ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের এই আক্রমণ পরিচালিত হয়েছে, বিশেষত সেসব স্থানেই আঘাত হানা হয়েছে যেখান থেকে ইরান আগের বছর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করেছিল।
ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তেহরান, খুজেস্তান ও ইলাম প্রদেশে চালানো এই হামলাগুলো সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে, যদিও কিছু স্থানে সীমিত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরুর দিকে ইরান থেকে প্রায় ২০০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার প্রতিক্রিয়াতেই এই হামলা চালায় ইসরায়েল। এদিকে হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়া, হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরাল্লাহ, এবং ইরানের কুদস ফোর্সের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্বাস নিলফোরুশানের হত্যার পর ইরানের পক্ষ থেকে প্রতিশোধমূলক হামলার দাবি ওঠে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে পরমাণু ও তেল স্থাপনাগুলোতে আক্রমণ না করতে সতর্ক করেছিল, কারণ এতে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে ধারণা।
এদিকে, সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে যে সিরিয়াতেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে, তবে এ হামলার দায় স্বীকার করেনি ইসরায়েল। সিরিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে। পেন্টাগনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই হামলার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র জড়িত নয়, তবে হোয়াইট হাউস একে ‘আত্মরক্ষার মহড়া’ বলে আখ্যায়িত করেছে।